বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের রামপালে শেখ আহাদ আহমেদ ইতু (২৪)  হত্যার ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত চরমপন্থি ক্যাডার মাসুমবিল্লাহসহ ৩ আসামীকেই গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। 

গ্রেপ্তরকৃতরা হলো চরমপন্থি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (সর্বহারা) সাবেক ক্যাডার একাধিক হত্যা মামলার মো. মাসুমবিল্লাহ (৫০), তার ভাই মো. বাকিবিল্লাহ (৪৫) ও মাসুম বিল্লাহর স্ত্রী মনিরা বেগম (৫৫)। এদের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামে।

রামপাল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রাজীব আল রশিদ জানান, সোমবার সকালে উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামে জমি নিয়ে দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে চরমপন্থি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (সর্বহারা) সাবেক ক্যাডার মাসুমবিল্লাহসহ অন্যরা চাচাতো ভাই ফরিদ উদ্দীন ও তাঁর ছেলে শেখ মেহেদী হাসান ইতুকে অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা দুইজনকে উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে শেখ মেহেদী হাসান ইতুকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত ফরিদকে রামাল উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় সোমবার রাতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে আহাত ফরিদুজ্জামানের বড় ছেলে মিতু হত্যা মামলা দায়ের করে।

মামলার পর রাতে অভিযান চালিয়ে চরমপন্থি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (সর্বহারা) সাবেক ক্যাডার মাসুমবিল্লাহ’র স্ত্রী আসামী মনিরা বেগমকে পুলিশ গ্রেপ্তর করে। একইদিন রাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে খুলনার এসআরবি -৬ সদস্যরা খুলনার ফুলতলা এলাকা থেকে চরমপন্থি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (সর্বহারা) সাবেক ক্যাডার মাসুমবিল্লাহ ও তার ভাই বাকিবিল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার দুপুরে এজহারভূক্ত এই দুই আসামীকে রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিকালে আসামীদের আদালতে সোপর্দ করে প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। চরমপন্থি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (সর্বহারা) সাবেক ক্যাডার মাসুমবিল্লাহ উপজেলার বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা সরদার হাবিবুর রহমান ও বাগেরহাট-৩ আসনের চার দলীয় ঐক্যেজোটের জামায়াত নেতা মাওলানা গাজী আবু বকার সিদ্দিক হত্যা মামলার আসামী বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

(এস/এসপি/সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬)