মোঃ জসিম উদ্দিন জুয়েল, টঙ্গী : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নওগাঁ এলাকায় ৪৬নং ওয়ার্ড যুবদলের পক্ষ হতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

শুক্রবার (২৫সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ আব্দুল খালেক বলেন, যুবদলের দলীয় কার্যালয়কে যুবরাজ নামে একজন চিন্হিত সন্ত্রাসী নিজের ব্যক্তিগত অফিস দাবি করে আমার বিরুদ্ধে চরম মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

"টঙ্গীতে যুবদলের সাইনবোর্ডে অন্যের অফিস দখল করে চলে মাদকের কারবার" শিরনামে একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে যুবদল সভাপতি দুঃখ প্রকাশ করে সত্য প্রকাশে যথাযথ অনুসন্ধানের আহবান জানান এবং সকল মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি প্রশাসন ও সাংবাদিকদের উদ্দ্যশ্যে বলেন, যুবদলের কার্যালয় সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার আওতায় আছে এবং তিন মাসের রেকর্ড থাকে- চাইলে আপনারা দেখে নিবেন।

সংবাদ সম্মেলনে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আল মানসুর টুটুল বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই কার্যালয় দখলে ছিলো, যা ৫ই আগষ্টের (জুলাই- ২০২৪) পর পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ৪৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ ভূঁইয়া, স্থানীয় বাড়িওয়ালা হারুনুর রশিদ সহ যুবদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মী সমর্থকরা।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে যুবদল সভাপতি আব্দুল খালেক বলেন, যুবরাজ এই এলাকার কেউ না। সে একজন বহিরাগত সন্ত্রাসী। ৫ই আগষ্টের পূর্বে এই যুবরাজ বিএনপি'র কোনো একটি কর্মসূচিতে ছিলো দেখাতে পারে- আমি রাজনীতি ছেড়ে দিবো। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে একাধিক অভিযোগে মামলা আছে।

স্থানীয় বাড়িওয়ালা হারুনুর রশিদ বলেন, জনৈক যুবরাজ নিজেকে আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া দাবি করে, যা সম্পুর্ন মিথ্যা।

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি দলের কার্যালয়ের বিরুদ্ধে মাদকের সম্পৃক্ততার যে বানোয়াট তথ্য ছড়িয়েছে তা ধৃষ্টতাপূর্ণ। এমন ঘৃণ্য মিথ্যাচার দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা, যা বরদাস্ত করা হবে না।
(জেইউজে/এএস/সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬)