‘প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলার দুঃসাহস কাদের হতে পারে’
স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীতে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই খোদ প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন করেন, প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের এমন দুঃসাহস কারা দেখাতে পারে।
নাহিদ ইসলাম লেখেন, ‘রাতের আঁধারে জুলাইয়ে আমাদের রাজপথের সহযোদ্ধা জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়েছে। ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে দুই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে, চাঁদা না দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখল। আবার এবার ঘটনাটি ঘটেছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর আসনে। প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কাদের হতে পারে?’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কোনও স্থাপনা যদি অবৈধ হয়ে থাকে, কেউ দখল করে রাখে তা উদ্ধারের জন্য আইন-আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ আছে। আইনী পথ বাদ দিয়ে সারাদেশে ক্ষমতাসীনদের এমন উন্মত্ত আচরণ কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে?’
তিনি লেখেন, ‘বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব এখন শুরু হয়নি। শুরু হয়েছে পাঁচ আগস্ট বিকেল থেকে। যখন গোটা দেশের তারুণ্য বিপ্লবোত্তর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর তখন বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী সারাদেশে ফ্যাসিবাদীদের চাঁদাবাজি, দখলবাজির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। আরও ভয়াবহ হচ্ছে, আওয়ামী লীগের শোষণের সাম্রাজ্য দখল করেই এরা ক্ষান্ত হয়নি। চাঁদাবাজি-দখলবাজির পরিমাণ ও আওতা কয়েকগুণ বাড়িয়েছে। আঠারো কোটি মানুষ আজ এদের কাছে জিম্মি।’
‘সরকার বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে, এসবের বিচার চাওয়া অর্থহীন। তবে আমরা বলতে চাই, অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্তি পাবে, ইনশাআল্লাহ।’
(ওএস/এএস/সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬)
