আশাশুনির জলমহলের ইজারা আবেদন বাতিলের দাবি
রঘুনাথ খাঁ, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের চেউটিয়া নদী (বন্ধ) জলমহলের ইজারা আবেদন বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। গত বৃহষ্পতিবার খালিয়া পূর্বপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর সাধারণ সম্পাদক সুকুমার মণ্ডল ফটিকখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি গোলাম রব্বানির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে এ আবেদন করেন।
আশাশুনি উপজেলার খালিয়া গ্রামের গোষ্ঠ বিহারী মণ্ডলের ছেলে সুকুমার মণ্ডল গত পহেলা অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলা প্রমাসকের কার্যালয়ে জমা দেওয়া আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন যে, পশ্চিম খোলপেটুয়া নদী হইতে চেউটিয়া নদীর শেষ পর্যন্ত প্রায় ৮৩ একর বন্ধ জলমহল বাংলা ১৪৩০ সাল থেকে ১৪৩২ সাল পর্যন্ত জেলাপ্রশাশকের মাধ্যমে ইজারা নেন ফটিকখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি গোলাম রব্বানী। ইজারা নেওয়ার পরপরই তিনি ওই জমি সাত্তার গাজী, কুদ্দস মোড়ল, শ্যামল মণ্ডল, অসিত মণ্ডল, ইমাদুল গাজী, নেছার আলী সরদার ও রামপদ সানার কাছে সাব লিজ দেন। যদিও জলমহল ইজারা নীতিমালায় ইজারাকৃত জমি সাবলিজ দিলে তার লাইসেন্স বাতিল বা মেয়াদান্তে তিনি নতুন করে আবেদন করতে পারবেন না বলে ২০১৯ ও ২০২৬ এর নীতিমালার ১৮ নং কলামে উল্লেখ রয়েছে।গোলাম রব্বানী যে সাবলিজ দিয়েছিলেন তা গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর খাজরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল হাই আশাশুনি সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর এক প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। এরপরও নিয়ম বহির্ভুতভাবে ফটিকখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর চেউটিয়া নদী (বন্ধ) জলমহল ইজারা নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
জানতে চাইলে অসিত মণ্ডল বলেন, মজিদ গাজীর বাড়ি থেকে নারায়নের বাড়ি পর্যন্ত এবং রামপদ সানা জানান, ফটিকখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্য্যালয় থেকে চেউটিয়া নদীর শেষ পর্যন্ত চেউটিয়া নদী বন্ধ জলমহলের অংশ গোলাম রব্বানির কাছ থেকে ইজারা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শনিবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কয়েকবার গোলাম রব্বানী ০১৭৩৮৮৯৩৪৯১ নং মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
(আরকে/এএস/অক্টোবর ০৩, ২০২৬)
