ধামরাইয়ে ২৩২টি মন্দিরে চলছে শারদীয়া দুর্গোৎবের প্রস্তুতি
দীপক চন্দ্র পাল, ধামরাই : আগামী ১৫ অক্টোবর মহা পঞ্চমীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে হিন্দু সম্প্রদায়েরর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় শারদীয়া উৎসব। ধর্মীয় রীতি মতে এবার “দেবীর ঘোটকে আগমন ও দেবীর নৌকায় গমন”।
এবার ধামরাই উপজেলার একটি পৌর সভা ও ষোল টি ইউপির বিভিন্ন স্থানে ২৩২টি স্থায়ী ও অস্থায়ী মন্দিরে শারদীয়া উৎসবের আয়োজনে শিল্পী -পূজারীরা প্রতিমা গড়ার কাজে এখন মহা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এবার পৌর এলাকায় ৪৪ টি মন্ডপে শারদীয় উৎসবের আয়োজন রয়েছে।
বাঁশ দিয়ে অবকামো তৈরী,প্রতিমা শিল্পীরা তাদের সহ কর্মীদের দিয়ে মাটি নরম ও তৈরী করার পর প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ও মূর্তি গড়ার কাজ শেষ করেছে। রং তুলির কাজও শুরু হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবরের আগে সকল প্রকার সাজ-সজ্জার কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানালেন আয়োজক পূজারী প্রাণ গোপাল পাল।
ধামরাইয়ে ৪ শত বছর ধরে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কাহেৎ পাড়ার ঐতিহ্যবাহী রায় বাড়িতে। প্রতিবছরের মত জাকজমক পূন্য ভাবে এবারো পূজার আয়োজন করেছেন বলে জানান রায় বাড়ির সদস্য এডভোকেট শ্যামল রায় মৌলিক। সার্বজনীন এই উৎসব সকলের সার্বিক সহযোগিতায় অনূষ্ঠিত হয়ে থাকে। মূর্তিতে রংয়ের কাজ শুরু হেেয়ছে বলেন।
ধামরাইয়ের পুজারীদের অন্যতম নেতা ও শিল্পী সুকান্ত বণিক বলেন, শিল্পীরা সুক্ষ সুক্ষ কাজগুলি করছে। পুজা উৎসবকে কেন্দ্র করে ঘরে ঘরে উৎসব আমেজ বিরাজ করছে বলেন। ঢাকার পাশেই ধামরাই একটি ঐতিহ্যবাহী অতি প্রাচীন জনপদ। এখানে প্রায়ই বিদেশী পর্যটকরা ভ্রমনে আসেন। অথচ এখানকার প্রধান সড়কটিই দিনে দিনে দখল হয়ে ক্ষিনকায় রূপ নিচ্ছে। রাস্তার উপর বসে হাঠ।
কায়েৎপাড়া সর্বজনীন কমিটির সাধারন সম্পাদক পুজারী রজিত পাল বলেন, ১৫ অক্টোবর মহা পঞ্চমীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে হিন্দু সম্প্রদায়েরর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় শারদীয়া উৎসব। ধর্মীয় রীতি মতে এবার “দেবীর ঘোটকে আগমন ও দেবীর নৌকায় গমন”। বাংলাদেশের উপজেলা গুলির মধ্যে ধামরাই উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মন্দিরে এ পূজার আয়োজন সব চেয়ে বেশী। পৌর এলাকায় ৪৪ টি মন্দিরে পুজা সহএবার ধামরাই উপজেলা ২৩২টি দূর্গা মন্দিরে শারদীয়া উৎসবে আয়োজন হচ্ছে। প্রশাসন থেকে থেকে সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে রাখতে পুজারী নের্তৃবৃন্দদের সাথে পুলিশ প্রশাসনের উধ্বতন কর্মর্তার মতবিনিময় করেছেন। পৌর এলাকার বিভিন্ন মন্দিরে ৪৪ টি পূজার আয়োজন রয়েছে।
এ ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন বলেন হিন্দু সম্প্রদায়ে সব চেয়ে বড় উৎসব শারদীয়া দূর্গা পূজা। ২৩২টি পূজা, সারা দেশের উপজেলা গুলিে মধ্যে বেশী পুজা ধামরাইয়ে।এই পূজা উপলক্ষে প্রশাসনিক প্রয়োজনী সকল ব্যবস্থা গ্রহর করা হবে। মন্দিরে মন্দিরেসিসিি ক্যামেরা বাধ্যতা মুলক লাগাতে হবে। প্রতিটি এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক তল হঠন করতে হবে। ঙে কেনো পরি স্থিতিতে প্রশাসনকে দ্রুত জানানোর জন্য মোবাইল নম্বর দেৃয়া আছে কল করে জানাতে হবে। তিনি এ বিষয়ে সকলের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। পূজায় সরকারী অনুদান আসা মাত্রই সকল পূজারীবৃন্দদের মাঝে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান। এছাড়াও সার্ব ক্ষনিক নজর দারী থাকবে বলেন।
ধামরাই থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, শারদীয়া দূর্গা পূজা উপলক্ষে প্রশাসনিক প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ধামরাই উপজেলায় এবার ২৩২টি মন্দিরে এবার পুজা হবে। তিন স্তরের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, আনস্রা ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা কড়া নিরাপত্তায় থাকবে বলেন। প্রতি বারের মতো এবারো শান্তিপূর্ন ভাবে পূজা উৎসব সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
(ডিসিপি/এসপি/অক্টোবর ০৬, ২০২৬)
