সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সালথায় ডালিম বেগম (৪৫) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রতিবেশীদের মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগের পরদিন বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের তুগোলদিয়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ডালিম বেগম ওই গ্রামের আব্দুল বেপারীর স্ত্রী। তাঁদের দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।

নিহতের স্বামী আব্দুল বেপারীর অভিযোগ, বুধবার প্রতিবেশী কামরুল মোল্লা, আলম মোল্লার ছেলে ইমামুল মোল্লা ও কল্পনা বেগম তাঁর স্ত্রীকে মারধর করেন। এর আগেও প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ডালিম বেগম মারধরের শিকার হয়েছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। তবে সালিশের পরও বিরোধের সমাধান হয়নি বলে দাবি পরিবারের।

ডালিম বেগমের ভাই সিদ্দিক মোল্লা বলেন, বুধবার তাঁর বোন ফোন করে তাঁকে মারধরের বিষয়টি জানান। এ সময় কামরুল মোল্লা, ইমামুল মোল্লা ও কল্পনা বেগম তাঁকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলেও বোন তাঁকে জানিয়েছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ির একটি ঘরের আড়ার সঙ্গে ডালিম বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তাঁরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
তবে ডালিম বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি আত্মহত্যা, নাকি মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এঘটনায় নিহতের ছেলে রিয়াজুল বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন৷

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মেডিকেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

(এএনএইচ/এএস/অক্টোবর ০৯, ২০২৬)