একে আজাদ, রাজবাড়ী : রাজবাড়ীর পাংশায় নদীবিধৌত চরাঞ্চলের ২০ জন সুফলভোগীর মধ্যে বকনা বাছুর ও গোখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এসব বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়।

আজ মঙ্গলবার সকালে পাংশা উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে প্রত্যেক সুফলভোগীর হাতে একটি করে বকনা বাছুর ও ৫০ কেজি করে গোখাদ্য তুলে দেওয়া হয়।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল হকের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ শাকিল আহমেদ।

সভায় বক্তব্য দেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস, পাংশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ চাঁদ আলী খান, রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান রাজা, পাংশা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম রিংকু, পাংশা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শওকত আলী সরদার, পাংশা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রায়হান কবীর এবং পাংশা-কালুখালী শিক্ষা কল্যাণ ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক ও উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শামসুল আলম সোহরাবসহ অন্যরা।

বক্তারা জানান, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় পাংশা উপজেলার ২০ জন সুফলভোগীকে বকনা বাছুর দেওয়া হয়েছে।

তাঁরা বলেন, বকনা বাছুর লালন-পালনের মাধ্যমে উপকারভোগীরা নিজেদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পারবেন। এতে চরাঞ্চলের মানুষের জীবিকা উন্নয়ন ও প্রাণিসম্পদ খাতের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

বক্তারা আরও জানান, বিতরণ করা বকনা বাছুর কোনোভাবেই বিক্রি করা যাবে না। উপকারভোগীরা যাতে যথাযথভাবে বাছুরগুলো লালন-পালন করেন, তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে নিয়মিত তদারকি করা হবে।

(একে/এসপি/অক্টোবর ১৩, ২০২৬)