দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৩৯ বিলিয়ন ডলার
স্টাফ রিপোর্টার : দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুসারে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে এ তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মোট রিজার্ভ হলো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ হিসাব করা রিজার্ভ।
এসব তহবিল হলো– রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল, গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড, বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সুবিধা ইত্যাদি। এসব তহবিলের অর্থ ইচ্ছা করলেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেকোনো সময় খরচ করতে পারে না।
যেমন– বিমান কেনার জন্য সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার এবং রপ্তানি কাজে বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন মেটাতে তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের দেওয়া অর্থ ইত্যাদি।
এই গ্রস পদ্ধতি মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হিসাব পদ্ধতি।
দেশে বর্তমানে গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ তিন হাজার ৬৩৮ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার ডলার বা ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) হলো মোট রিজার্ভ থেকে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল, গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড, বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সুবিধা ইত্যাদি তহবিলের অর্থ বাদ দিয়ে হিসাব করা নিট রিজার্ভ। এটি মূলত আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি।
আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুসারে, বর্তমানে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ তিন হাজার ১৫৭ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা ৩১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব (গ্রস) এবং আইএমএফের ‘বিপিএম৬’ পদ্ধতি– উভয় হিসাব থেকেই সব ধরনের বৈদেশিক মুদ্রার দায় বা স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে প্রকৃত ও তরল অর্থ অবশিষ্ট থাকে, তাকেই এনআইআর (নেট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ) বা নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ বলা হয়। এই অর্থই কেন্দ্রীয় ব্যাংক জরুরি প্রয়োজনে বা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে সরাসরি ব্যবহার করতে পারে।
(ওএস/এএস/অক্টোবর ১৮, ২০২৬)
