রঘুনাথ খাঁ, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা সদও উপজেলার ঝাউডাঙা ইউনিয়নের একটি গ্রামের ও প্রথম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার আসামী মোশাররফ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত দুই দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছেন।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক শাহারিয়ার হোসেনের তিন দিনের রিমাণ্ড আবেদন শুনানী শেষে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডল আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। শনিবার বিকেল তিনটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙা ইউনিয়নের ওয়ারিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের বাড়ির ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষকের নাম- মোশাররফ হোসেন(৫৫)। তিনি সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের আছিদুর রহমান খান চৌধুরীর ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, স্বামী তালাক দেওয়ার পর স্ত্রী যশোরের শার্মা থানাধীন বাগআঁচড়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে তার মেয়ে দাদী ও চাচীর কাছে থেকে সাতক্ষীরা সদও উপজেলার ঝাউডাঙা ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতো। ঝাউডাঙা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যোন ও ্ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ওয়ারিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের শ্যালক মোশাররফ হোসেন দুলা ভাইয়ের বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো। ১০ অক্টোবর বিকেলে মোশাররফ হোসেন রাস্তা থেকে ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যানের ছাদে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। ১২ অক্টোবর পুলিশ এসে মেয়েকে নিয়ে সোমবার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদি হয়ে মোশাররফ হোসেনের নাম উল্লেখ করে ১৩ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০ সালের সংশোধিত ২০০৩ এর ৯(১) ধারায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মোশাররফ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।

আসামীপক্ষে রিমাণ্ড শুনানীতে অংশ নেন অ্যাড. শফিউর রহমান শফি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সিএসআই মাজেদুর রহমান।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শাহারিয়ার হোসেন জানান, আদালতের আদেশ হাতে পেলে তাকে কারাগার থেকে থানা হেফাজতে নেওয়া হবে।

(আরকে/এসপি/অক্টোবর ২৭, ২০২৬)