স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়ায় করতোয়া, গজারিয়া ও ইছামতি নদী খনন প্রকল্পের কাজ চলতি মাসেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। 

র‌বিবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়ার করতোয়া নদীর এসপি ঘাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, করতোয়া, গজারিয়া ও ইছামতি নদী খনন প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নদীগুলোর প্রবাহ ও নান্দনিকতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বগুড়া শহরের সৌন্দর্যবর্ধন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়নে এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “করতোয়া, গজারিয়া ও ইছামতি নদী সংস্কার প্রকল্পের জন্য একনেকে প্রায় ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকা অনুমোদন হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নদীগুলোর প্রবাহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি নদীর দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে বগুড়ার মানুষ নতুন এক শহর দেখতে পাবেন।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নদী সংস্কারের পাশাপাশি প্রকল্পে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের উন্নয়ন হবে। নদীর এক পাশে বর্তমানে ওয়াকওয়ে থাকলেও অন্য পাশেও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।”

ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বগুড়ায় মোট ২৯৪ কিলোমিটার খননকাজের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ছয় কিলোমিটার খনন করা হচ্ছে।”

নদী থেকে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বালু উত্তোলন দীর্ঘদিনের সমস্যা। তবে কোন নদী থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে আর কোনটি থেকে যাবে না, তা নির্ধারণে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা দেশের নদীগুলো পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটি তালিকা তৈরি করবেন।”

(ওএস/ এএস/নভেম্বর ০১, ২০২৬)