দুদকের ব্রিফিং নিয়ে আসিফের রিট, আদেশ ১১ নভেম্বর
স্টাফ রিপোর্টার : দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্তের পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রেস ব্রিফিং করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
ওই রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১১ নভেম্বর আদেশ দেবেন হাইকোর্ট।
বুধবার (৪ নভেম্বর) শুনানি শেষে বিচারপতি মো. বশির উল্লাহ ও বিচারপতি মো. হামিদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও ব্যারিস্টার ইউসুফ আলী।
দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাহবুবুর রহমান খান।
এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একটি অবকাশকালীন বেঞ্চ রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ (ডিলিট) দেন।
আদালতের অবকাশ শেষে নতুন করে শুনানির জন্য আবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।
দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং সহকারী পরিচালক গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুটি প্রেস ব্রিফিং করেন। এসব ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্তের পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়।
রিটে বলা হয়, এসব ব্রিফিং সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা মর্যাদা ও সুনামের সুরক্ষা এবং দুদকের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালার লঙ্ঘন। এ কারণে ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রেস ব্রিফিংয়ের কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন আসিফ মাহমুদ।
২ সেপ্টেম্বরের ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ৭৬ লাখ টাকা নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা জানানো হয়। পরে দুদকের এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ওই বক্তব্যকে ‘স্লিপ অব টাং’ বলে উল্লেখ করেন।
১৩ সেপ্টেম্বরের ব্রিফিংয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও ৩৬ জন জেলা প্রশাসক নিয়োগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের দরপত্র থেকে শত কোটি টাকার ‘কমিশন বাণিজ্য’ ও বিদেশে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়।
(ওএস/এএস/নভেম্বর ০৫, ২০২৬)
