তদন্ত শেষে পিবিআই
মায়ের ‘অপহরণ’ সাজানো, নিয়মিত টাকা পাঠাতেন মরিয়ম
তদন্ত শেষে পিবিআই
খুলনা প্রতিনিধি : দেশব্যাপী আলোচিত মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা বেগমের ‘অপহরণের’ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে এ ‘অপহরণ নাটক’ সাজান মা-মেয়ে। এমনকী যাতে আরও বেশিদিন আত্মগোপনে থাকতে পারেন সেজন্য মা রহিমা বেগমকে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন মরিয়ম। তদন্তে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
তদন্তের প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একমাস আগে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান।অনুমোদনের পর তা সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা। খুব শিগগির অনুমোদন পাওয়া যাবে বলেও আশা করেন তিনি।
পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান জানান, রহিমা বেগম অপহরণের কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে রহিমা বেগম ও তার দুই মেয়ের (মরিয়ম মান্নান ও আদুরী আক্তার) বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এরআগে এ মামলায় পুলিশ যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের এইমামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশও করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, রহিমা বেগমের সৎছেলের কাছ থেকে জমি কিনেছিলেন হেলাল শরিফ ও গোলাম কিবরিয়া। সেই জমি যেন তারা দখল নিতে না পারেন সেজন্যই পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন আদুরী। কথিত অপহরণ মামলায় তাদের জেলও খাটতে হয়েছে।
২০২২ সালের ২৭ আগস্ট রাতে খুলনা নগরীর মহেশ্বরপাশা এলাকার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন রহিমা বেগম। তাকে অপহরণের অভিযোগ তুলে ২৮ আগস্ট তার ছোট মেয়ে আদুরী দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় গত ৪ সেপ্টেম্বর ও পরবর্তী সময়ে প্রতিবেশী পাঁচজনকে গ্রেফতার করে র্যাব ও পুলিশ।
তবে পিবিআই বলছে, রহিমা বেগম ২৭ আগস্ট রাতে তার তৃতীয় স্বামী বেল্লাল হাওলাদারের সহযোগিতায় ঢাকায় চলে যান। ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকায় মেয়ে মরিয়মের কাছে ছিলেন। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর চলে যান বান্দরবান। ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বান্দরবানে তিনি রিজিয়া বেগম নামের এক নারীর বাড়িতে ছিলেন। ১২ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একই এলাকার মনি বেগমের ভাতের হোটেলে কাজ নেন এবং তার বাড়িতেই থাকেন।
পরে একটি অফিসে কাজের জন্য গেলে তারা রহিমার কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন চান। এতে ভীত হয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর রহিমা ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সৈয়দপুর গ্রামের আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে যান। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ভুয়া নাম এবং বাড়ি বাগেরহাট উল্লেখ করে জন্মনিবন্ধনেরও চেষ্টা করেন। ২৪ সেপ্টেম্বর উদ্ধার হওয়ার আগ পর্যন্ত রহিমা বোয়ালমারীতে ছিলেন। যা তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
মায়ের খোঁজ দেওয়ার দাবিতে তার মেয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেত্রী মরিয়ম ও পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন, পোস্টারিং ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
মাকে ফিরে পেতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আকুতি-মিনতি করেন মরিয়ম মান্নান। যা দেশবাসীর মনে নাড়া দেয়। একপর্যায়ে ২২ আগস্ট ময়মনসিংহের ফুলপুর থানা পুলিশ তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন মরিয়ম।
পরদিন ফুলপুর থানায় গিয়ে মরদেহটি তার মায়ের বলে শনাক্তও করেন। কিন্তু ২৪ সেপ্টেম্বর খুলনার দৌলতপুর থানা পুলিশ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে থাকা রহিমাকে উদ্ধার করে। কুদ্দুস একসময় মহেশ্বরপাশায় রহিমার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
(ওএস/এসপি/ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৩)
পাঠকের মতামত:
- ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোন ধরনের সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না’
- ‘আমার সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি দল’
- ‘অবহেলায় যেন গণতন্ত্র হারিয়ে না যায়’
- জাতীয় গ্রিডে বাড়ল গ্যাস সরবরাহ, স্বস্তি ফিরছে বিদ্যুৎ-শিল্প খাতে
- টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন জ্যোতি
- লে. জেনারেল নিয়াজী চট্টগ্রাম সফর করেন
- গোবিপ্রবি ছাত্র গণমঞ্চের সদস্যসচিব শাওনের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
- ভাদ্রের শেষেই কুড়িগ্রামে শীতের আমেজ
- ডিজিটাল ফাইন্যান্সিংয়ের প্রসারে ব্র্যাক ব্যাংক ও এসএসএল ওয়্যারলেসের উদ্যোগ
- রাজনীতি আমার কাছে কী
- পঞ্চগড় শিশু-কিশোর ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বিজয়ী লাল তরুণ
- সাঈদ-উর রহমান: শিক্ষকের ‘আপনি’ সম্বোধনে মানুষের মর্যাদার পাঠ
- ‘ঘুষ সাইট’-এর অভিযোগে দুই কর্মচারী শোকজ, তদন্তের পরপরই শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি
- ধর্ষণের পর শিশু শিক্ষার্থীকে ঘরে পুঁতে রাখা, অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি
- ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী
- দেশে এসে শরিফুলের কুরবানির ঈদ উদযাপনের ইচ্ছা অপূর্ণ রয়ে গেল
- ৩ ভাইয়ের যাবজ্জীবন, এক ভাইয়ের সাত বছরের কারাদণ্ড
- শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ
- ছাত্র গণ মঞ্চের সদস্য সচিবের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ
- টাঙ্গাইলে প্রাথমিকে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সংবর্ধিত
- ‘১৭ বছরের নিপীড়ন নির্যাতন যেনো আমরা ভুলে না যাই’
- সোনাতলায় গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় নাজিম গ্রেপ্তার
- ঝিনাইদহে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি দখলের হুমকি
- কেমিক্যাল ও শিল্পখাতে স্বনির্ভরতার অঙ্গীকার নিয়ে ‘রেডমিন হরাইজন’ আয়োজন
- নীরবতার এক অদৃশ্য আয়না
- লক্ষ্মীপুরে সংঘর্ষ-হত্যার ঘটনায় ৪ মামলা, এ্যানীসহ আসামি সাড়ে তিন হাজার
- কলাপাড়ায় কৃষকদের সরকারি প্রণোদনার সার ও বীজ বিতরণ
- ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী
- ৩ ভাইয়ের যাবজ্জীবন, এক ভাইয়ের সাত বছরের কারাদণ্ড
- বৃত্তির দাবিতে কেন্দুয়ায় কিন্ডার গার্টেন শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বিক্ষোভ
- লক্ষ্মীপুরে বোমা ফাটিয়ে স্বর্ণের দোকান লুট, ডাকাতের গাড়ি চাপায় পথচারী নিহত
- ‘বিএনপি নির্বাচিত হলে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগাবে’
- ভৈরবে ধর্ষণের অভিযোগে স্বামী ও পর্নোগ্রাফি মামলায় স্ত্রী গ্রেপ্তার
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’র শুরুটা আশা জাগানিয়া
- গাইবান্ধায় চোর সন্দেহে গণপিটুনি, ৩ জনের মৃত্যু
- কুমিল্লায় নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে আলাউদ্দিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
- কলাপাড়ায় ওসির প্রত্যাহারের দাবিতে থানা ঘেরাও, ঝাড়ু মিছিল
- গোবিপ্রবি ছাত্র গণমঞ্চের সদস্যসচিব শাওনের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
- ছাত্র গণ মঞ্চের সদস্য সচিবের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ
- গলাচিপায় মহান বিজয় দিবস পালিত
- নীলফামারী- ২ আসনে জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন
- ভাদ্রের শেষেই কুড়িগ্রামে শীতের আমেজ
- ডিজিটাল ফাইন্যান্সিংয়ের প্রসারে ব্র্যাক ব্যাংক ও এসএসএল ওয়্যারলেসের উদ্যোগ
- মোড়লের ক্ষমতা আর নেই, বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা মামলার দুই আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
-1.gif)








