E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

কেন্দুয়ায় টিউবওয়েলও বরাদ্দ নেই, টাকাও ফেরত নেই

২০২৫ নভেম্বর ৩০ ১৩:৩৪:১৬
কেন্দুয়ায় টিউবওয়েলও বরাদ্দ নেই, টাকাও ফেরত নেই

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, কেন্দুয়া : টিউবওয়েল বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলে ৩ ব্যক্তির কাছ থেকে ৪৬ হাজার টাকা আদায় করে নেন কেন্দুয়া উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাহাদাত হোসেন। ৪ মাস ফেরিয়ে গেলেও টিউবওয়েল বরাদ্দ ও দেওয়া টাকা ফেরত পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা। তারা দু’দিক থেকেই বঞ্চিত হয়ে গত ২৬ নভেম্বর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নেত্রকোণার নির্বাহী প্রকৌলশী বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। 

জানা যায়, কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের দীঘলকুশা গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম রুবেল, মাসকা ইউনিয়নের দিঘলী গ্রামের এখলাছ উদ্দিনের ছেলে মাসুদুর রহমান মাসুদ ও চিরাং ইউনিয়নের সাগুলী গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে রনি গত ১৫ জুলাই জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে ৪৬ হাজার টাকা দেন। প্রকৌশলী তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ৩টি টিউবওয়েল অল্প দিনের মধ্যেই বরাদ্দ দেবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। রফিকুল ইসলাম রুবেল জানান, ৪ মাস ফেরিয়ে গেলেও টিউবওয়েলও দিচ্ছেন না, নেওয়া টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। দিবেন দিচ্ছেন বলে শুধু সময় পার করছেন।

আমরা অতিষ্ট হয়ে গত ২৬ নভেম্বর নেত্রকোণা নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত আবেদন জমা দিয়েছি। নির্বাহী প্রকৌশলী আমাদেরকে বলেছেন, তদন্তে সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। মাসুদুর রহমান মাসুদ ও রনি জানান, টিউবওয়েলের কথা বলে বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিয়েছি। এখন আমাদের টিউবওয়েলও বরাদ্দ নেই, দেওয়া টাকাও ফেরত নেই। যে কারণে আমরা পরিবারের চাপের মুখে আছি। টাকা কিংবা টিউবওয়েল না নিয়ে আমরা বাড়িতেই যেতে পারছি না। এ ঘটনার আমরা বিচার চাই।

এ ব্যাপারে কেন্দুয়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তিনি তাদের কাছ থেকে এভাবে কোন টাকা নেননি। টিউবওয়েল বরাদ্দ আসলে তাদেরকে টিউবওয়েল বরাদ্দ দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। এদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী নেত্রকোণার সাথে যোগাযোগ চেষ্ঠা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

(এসবিএস/এএস/নভেম্বর ৩০, ২০২৫)

পাঠকের মতামত:

৩০ নভেম্বর ২০২৫

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test