E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

ফরিদপুরে ভয়াবহ সংঘর্ষে আহত ২০, বাড়িঘর ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১৮:৩২:৩১
ফরিদপুরে ভয়াবহ সংঘর্ষে আহত ২০, বাড়িঘর ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ

সালথা প্রতিনিধি : স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা ও বোয়ালমারী উপজেলাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত সালথা উপজেলা ও বোয়ালমারী উপজেলার সীমান্তে ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউপি চেয়ারম্যান মান্নান মাতু্ব্বরের সমর্থকদের সাথে সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের টুলু মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরধরে শনিবার সকাল ১০ টার দিকে সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় ১০/১২ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও ৩টি ঘরে অগিসংযোগ করে সংঘর্ষকারীরা। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রন করে৷ এসময় উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১২জনকে বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা) সার্কেল মাহমুদুল হাসান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ময়েনদিয়া ও খারদিয়ার দুইগ্রুপের মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ বাঁধে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ও কয়েকজনকে আটক করা হয়ে। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সালথা আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার জানান, নির্বাচনের পরদিন থেকে সালথার খারদিয়া ও বোয়ালমারী ময়েনদিয়া এলাকায় বিবাদমান দুটি পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা চলছিল। কিন্তু শনিবার সকালে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র সহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আশঙ্কা করে সেনাবাহিনী ও পুলিশ এর যৌথ টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র সহ কয়েকজনকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র সমূহ এবং আটকৃত আসামিরা পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সালথা থানায় রয়েছে। এলাকার পরিবেশ এখন স্বাভাবিক। ঘটনাস্থলের আশপাশে সেনাবাহিনী ও পুলিশ অবস্থান করছে। সালতা উপজেলায় যে কোন ধরনের সহিংসতা ও অরাজকতা প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে এবং জন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি এবং টহল আরো জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত দুষ্কৃতিকারীদের আটক করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(এএন/এসপি/ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test