E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

সর্বোচ্চ পয়েন্টে ফোকাস বাংলাদেশের

২০২৬ মে ১৫ ১৬:২৮:২১
সর্বোচ্চ পয়েন্টে ফোকাস বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক : গত কয়েক বছর ধরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেনি বাংলাদেশ। গত আসরে দেশের বাইরে কিছুটা ভালো করলেও ঘরের মাঠে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেনি বাংলাদেশ।

তবে নতুন চক্রে সেই অতীত ভুলে ধাপে ধাপে উন্নতির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

তিন ম্যাচে এক জয় এবংএক ড্র নিয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের ছয় নম্বরে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

আপতত ছোট ছোট পরিল্পনায় এগিয়ে যাওয়ার কথা জানালেন মুশফিক।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপকে ঘিরে বড় স্বপ্ন না দেখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যের কথা জানালেন মুশফিক, ‘না অবভিয়াসলি আমাদের ইচ্ছা ছিল যে গতবার যেটা আমরা অ্যাচিভ করেছি যেটা বললেন সেটা যেন মেক শিওর আমরা ওটা রাখতে পারি এটা অবশ্যই অনেক বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট হবে।

বাট তার আগে ছোট ছোট করে আমরা গোল সেট করেছি যেন হোমে আমাদের ম্যাক্সিমাম যে কয়টা খেলা আছে আমরা যেন মেক শিওর এখান থেকে সর্বোচ্চ পয়েন্টগুলো নিতে পারি।’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে এবারের চক্র শুরু হয়েছিল।
গত বছরের জুনে শ্রীলঙ্কা সিরিজে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। একটি টেস্ট ড্র করেছিল। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে জয় দিয়ে শুরু করেছে। এই মুহুর্তে টেস্ট চক্রে বাংলাদেশ নিজেদের আগের অবস্থান থেকে এগিয়ে গেছে। সর্বোচ্চ সাফল্য বলতে গত চক্রে, সাত নম্বরে থাকা।

সিলেটে শনিবার শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। এই টেস্টের পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে দুটি টেস্ট খেলবে। মুশফিকের মতে দেশের বাইরের সফরগুলো কঠিন হবে, ‘আর অন্যান্য যেটা আউটসাইড আমাদের খেলা স্বাভাবিক আপনারা জানেন দুটা আমাদের ট্যুর আছে বাইরে বাট ইটস নট দ্যাট ইজি। এবং ওখানে আমরা এর আগে কখনো খেলিনি আমার ক্যারিয়ারে তো কখনো খেলা হয়নি।’

তবে বর্তমান দলের বোলিং আক্রমণ এবং সামগ্রিক ভারসাম্য নিয়ে আশাবাদী মুশফিক, ‘ইটস নট দ্যাট ইজি বাট যেটা আমি বললাম যে আমাদের টেস্ট টিমের এখন বোলিং ডিপার্টমেন্ট স্পেশালি এমন ভারসাম্য আছে যেটা কিনা আমরা যদি ইনশাল্লাহ ভালো একটা কনসিস্টেন্ট রান আমরা বোর্ডে দিতে পারি দেন উইদাউট এনি ডাউট আমরা যেকোনো অপোজিশন কে আমরা চ্যালেঞ্জ দিতে পারি।’

অতীতে টেস্ট খেলতে নেমে অনেকগুলো দলই নিজেদের সেরা একাদশ মাঠে নামাতেন না। তবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ হিসেবে টেস্টগুলো হওয়ার পর টেস্ট নিয়ে সবগুলো দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়েছে। এখন প্রতিটি দলই তাদের সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নামেন।

মুশফিকের মতে, ‘এটা তো একটা নতুন মোটিভেশন কাজ করে সব টিমের ভিতরে। এখন অন্যান্য অপোনেন্ট তাদের এই বি টিম বা সি টিম কখনো খেলায় না। তাদের ম্যাক্সিমাম এভেলেবেল যারা প্লেয়ার থাকে, তাদের মধ্য থেকে সেরা একাদশ গঠন করে। তো এটা আরও মোর চ্যালেঞ্জিং হয় এবং মোর আমি মনে করি এক্সাইটিং এবং কম্পিটিটিভ হয়। আর এই চ্যালেঞ্জগুলোই আমি মনে করি যে যেকোনো প্লেয়ারের জন্য ভালো। আপনি যদি নিজেকে পুশ না করেন কখনোই আসলে ঐরকম করে ইম্প্রুভ করা যায় না।’

(ওএস/এএস/মে ১৫, ২০২৬)


পাঠকের মতামত:

১৫ মে ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test